হোম »  লিভিং হেলথি »  জলজিরার মধ্যেও লুকিয়ে আছে স্বাস্থ্যের হাজারো সমস্যার সমাধান

জলজিরার মধ্যেও লুকিয়ে আছে স্বাস্থ্যের হাজারো সমস্যার সমাধান

জলজিরা রোস্টেড জিরে গুঁড়ো, আদা গুঁড়ো, ধনে পাতা, পুদিনা পাতা, শুকনো আম পাউডার এবং আরও অনেক কিছু দিয়ে তৈরি হয়।

জলজিরার মধ্যেও লুকিয়ে আছে স্বাস্থ্যের হাজারো সমস্যার সমাধান

হজমের সমস্যা, গ্যাস, পেটের ব্যথা ও পেট ফাঁপার মতো সমস্যার মোকাবিলা করতে সাহায্য করে এই উপাদান

হাইলাইট

  1. জলজিরা ক্ষারীয় বলে হজমে সাহায্য করে
  2. রক্তাল্পতার রোগীদের জন্যও উপকারী
  3. ঠাণ্ডা লাগলে গরমজলে জলজিরা মিশিয়ে খান

জটিল জীবনে অভ্যস্ত হয়ে গিয়ে আমরা সকলেই প্রায় সরলতা শব্দের সৌন্দর্যই ভুলে যেতে বসেছি। লাইফস্টাইল প্রশিক্ষক লিউক কোটিনহো ফেসবুকে তাঁর সাম্প্রতিক লাইভ ভিডিওতে, কীভাবে মানুষ তার জীবন, তাদের সম্পর্ক, খাদ্য অভ্যাস এবং জীবনধারা জটিল করে তুলেছে সে বিষয়ে আলোচনা করেন। সহজ উপাদানের দিক থেকে চোখ ফিরিয়ে নিচ্ছি আমরা, ফলত অনেক জটিল সমস্যার সহজ সমাধান আমাদের মাথায় আসছে না। যেমন, জলজিরা। খুবই সহজলভ্য সাধারণ মশলা অথচ এর স্বাস্থ্যগুণ তুলনাহীন। আপনি যেকোন সময় এই জলজিরা খেতে পারেন।

কেন আপনার খাবারে জলজিরা অন্তর্ভুক্ত করবেন?

জলজিরের মধ্যে অবশ্যই আছে জল এবং জিরে এবং সেই কারণেই এটি অত্যন্ত শীতল এবং রিফ্রেশিং পানীয় যা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য ভাল। জলজিরা ঐতিহ্যগতভাবে একটি কাদা মাটির পাত্রে তৈরি করা হয়। এই পদ্ধতি জলকে আরও ক্ষারীয় করে তোলে।


জলজিরা রোস্টেড জিরে গুঁড়ো, আদা গুঁড়ো, ধনে পাতা, পুদিনা পাতা, শুকনো আম পাউডার এবং আরও অনেক কিছু দিয়ে তৈরি হয়। এই মশলা সাধারণত সব ভারতীয় রান্নাঘরে পাওয়া যায়। হজমের সমস্যা, গ্যাস, পেটের ব্যথা ও পেট ফাঁপার মতো সমস্যার মোকাবিলা করতে সাহায্য করে এই উপাদান।

জলজেরা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী, কারণ এটি পাচক উৎসেচকগুলিকে উদ্দীপিত করতে সহায়তা করে, ফলে পাচন উন্নত হয়। জলজিরাতে পুদিনা যোগ করলে পেট ঠান্ডা হতে পারে। আপনি কালো লবণ বা গোলাপী লবণ যোগ করুন, কিন্তু  পরিশোধিত লবণ যোগ করবেন না একেবারেই।

এই পানীয়টি অ্যানিমিয়া রোগীদের জন্যও উপকারী, কারণ জিরা লোহার সমৃদ্ধ উৎস। জলজিরা আপনার শরীরে জলের ভারসাম্যও বজায় রাখে।

hvl23k9

জলজিরা আপনাকে হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে

ফটো ক্রেডিট: iStock

কখন জলজিরা খেতে পারেন?

খাবার খাওয়ার সময় অত্যধিক তরল কিছু খেতে বারণই করা হয়। তবে খাবার খাওয়ার আগে 30 মিনিট এবং খাবারের পরে 30 মিনিট অন্তত জল খেতে বারণই করা হয়।

জলজিরা আপনার শ্বাসযন্ত্রের জন্যও দুর্দান্ত

ক্রমবর্ধমান বায়ু দূষণের সময় জলজিরার মতো পানীয় পান করলে আপনার শ্বাসযন্ত্রের জন্য এটি উপকারী হতে পারে। জলজিরাতে থাকা মশলা ও হার্বস শ্লেষ্মা ভেঙে দিতে সহায়তা করে।

আপনার বুকে সর্দি ও ঠান্ডা বসে থাকলে উষ্ণ গরম বা গরম জলে জলজিরা মিশিয়ে খাওয়ার চেষ্টা করুন।

মন্তব্য

স্বাস্থ্যের খবর সাথে সুস্থ থাকার জন্য অভিজ্ঞদের টিপস, ডায়েট পরিকল্পনা জানতে, লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube

................... বিজ্ঞাপন ...................

................... বিজ্ঞাপন ...................

................... বিজ্ঞাপন ...................

-------------------------------- বিজ্ঞাপন -----------------------------------