হোম »  প্রেগন্যান্সি »  কাজের চাপ মাথায় উঠতে দিলে কমবে যৌন ইচ্ছা ও প্রজনন ক্ষমতা; বলছে গবেষণা

কাজের চাপ মাথায় উঠতে দিলে কমবে যৌন ইচ্ছা ও প্রজনন ক্ষমতা; বলছে গবেষণা

কাজ এবং জীবনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে না পারলে মানুষের জীবনের অন্য চাপ আরও বাড়বে।

কাজের চাপ মাথায় উঠতে দিলে কমবে যৌন ইচ্ছা ও প্রজনন ক্ষমতা; বলছে গবেষণা

প্রচণ্ড মানসিক চাপ, গর্ভধারণে বাধা দেয়

হাইলাইট

  1. রোজ ভালো করে ঘুমোন
  2. নিজের যৌন জীবনের যত্ন নিন
  3. মানসিক চাপ বাড়লে গর্ভধারণের সমস্যাও বাড়বে

প্রজনন ক্ষমতা কমে যাওয়ার সঙ্গে ইদানীং আমাদের জীবনধারাকে জুড়ছেন অনেকেই। নিরোধ ব্যবহার কনা করেও যৌন সঙ্গমের পরে প্রজনন বা বা গর্ভধারণ করতে না পারা বা এই অক্ষমতাকেই ইনফার্টিলিটি বা প্রজনন সমস্যা (Infertility) বলা হয়। আমাদের জীবনযাপনের নানা সমস্যা এবং অভ্যাস প্রজনন ক্ষমতা কমার নেতৃত্বস্থানীয় এক কারণ। আপনি যদি গর্ভধারণের ইচ্ছা রাখেন, তবে আপনাকে অবশ্যই জানাতে হবে যে আপনি যেসব কারণে গর্ভধারণ করতে পারবেন না তার মধ্যে মানসিক চাপ হল অন্যতম। 

রোজ সকালে এক কোয়া রসুন কীভাবে খেলে বাগে আসবে উচ্চ রক্তচাপ, কমাবে ওজনও

কীভাবে মানসিক চাপ গর্ভধারণের সমস্যা বাড়ায়?


ধূমপান, মাদক সেবন এবং নিয়মিত মদ খাওয়ার মতো অস্বাস্থ্যকর জীবনধারা মানসিক চাপ এবং বন্ধ্যাত্ব বাড়াতে পারে।

কাজ এবং জীবনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে না পারলে মানুষের জীবনের অন্য চাপ আরও বাড়বে। রাতে দেরী পর্যন্ত কাজ করে এবং সকালে হুড়োহুড়ি করে মিটিং বা অফিসের জন্য বেরিয়ে যাওয়া, অফিসে গিয়ে চাপ নেওয়া সব মিলিয়ে স্বাস্থ্য খারাপ হবেই। এই জীবনযাত্রায় না তো খাবার হজমের সময় থাকে, না তো নিয়ম মেনে সঠিক খাবার। এই সব জীবনধারার অভ্যাস স্থূলতার ঝুঁকি বৃদ্ধি এবং প্রজনন ক্ষমতাকে প্রভাবিত করতে পারে।

f7d246r

সুস্থ জীবনধারা প্রজনন ক্ষমতা বাড়ায়

ছবি সৌজন্যে: iStock

চাপ মানুষকে খিদের প্রতি লোভ বাড়ায় এবং জাঙ্ক ফুডের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে মানুষ। দীর্ঘস্থায়ী চাপের মাত্রা ওজন বৃদ্ধি করে যা যথাযথ ডিম্বানু উৎপাদন ব্যাহত করে এবং অনিয়মিত পিরিয়ডের সমস্যাও সৃষ্টি করে। জাঙ্ক ফুড শুক্রাণুর মান হ্রাসের সঙ্গেও সম্পর্কিত। মানসিক চাপ আপনার যৌন জীবনের উপরেও গভীর প্রভাব ফেলে। 

কোন বয়সের শিশুর কতক্ষণ টিভি বা মোবাইল ঘাঁটা নিরাপদ, জানাল WHO নির্দেশিকা

কীভাবে চাপ কমলে বাড়তে পারে প্রজনন ক্ষমতা?

1. প্রতি দিন কমপক্ষে ৬ ঘন্টার ঘুম এবং সঠিক সময়ে সঠিক ভাবে ঘুম প্রয়োজন।

2. ঘুমনোর আগে বা যখন আপনি পরিবারের বা প্রিয়জনের সঙ্গে রয়েছেন, তখন মেল চেক করা বা অফিসের ফোন ধরা এড়িয়ে চলুন।

3. আপনার সঙ্গীর সঙ্গে স্বাস্থ্যকর যৌন জীবন থাকা গুরুত্বপূর্ণ। একটি সম্পর্কে নিয়মিত যৌনতা দুর্দান্ত কাজ করে।

4. ধূমপান এবং মদ্য পানের মত অভ্যাসকে বিদায় জানান। এই অভ্যাস আপনার জন্য বিপজ্জনক সমস্যা তৈরি করতে পারে।

5. কাজ এবং ব্যক্তিগত জীবন আলাদা করা এবং ভারসাম্য রাখা গুরুত্বপূর্ণ। প্রজননের সমস্যা এড়াতে জীবনে ভারসাম্য বজায় রাখা দরকার।

6. স্ট্রেস কমান এবং আপনি যে যে জিনিস সত্যিই উপভোগ করেন সেসবে সময় দিন। পরিবার এবং বন্ধুদের সাথে সময় কাটান, আপনার পছন্দের খাবার রান্না করুন, সিনেমা দেখুনন বা এমন কিছু করুন যা আপনাকে ভালো রাখে।

মন্তব্য

স্বাস্থ্যের খবর সাথে সুস্থ থাকার জন্য অভিজ্ঞদের টিপস, ডায়েট পরিকল্পনা জানতে, লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube

................... বিজ্ঞাপন ...................

................... বিজ্ঞাপন ...................

 

................... বিজ্ঞাপন ...................

-------------------------------- বিজ্ঞাপন -----------------------------------