হোম »  ডায়াবেটিস »  ডায়াবেটিক? কড়া নজর থাকুক মধ্যদিনের স্ন্যাক্সে

ডায়াবেটিক? কড়া নজর থাকুক মধ্যদিনের স্ন্যাক্সে

অন্যতম উপকারী এবং কার্যকরী স্ন্যাকস হিসেবে বিবেচিত হতে পারে বেরি বা অন্য কোনও ফল সহযোগে দই দিয়ে তৈরি শেক।

ডায়াবেটিক? কড়া নজর থাকুক মধ্যদিনের স্ন্যাক্সে

দইয়ে প্রচুর ক্যাসশিয়াম ও প্রোবায়োটিক থাকে

হাইলাইট

  1. রক্তের শর্করার ১৮০ এমজি/ডিএল হলে তাকে ডায়াবেটিস বলা হয়।
  2. মধ্যদিনের একটি স্ন্যক্সের পরিমাণ হবে খুবই সামান্য।
  3. বেরি বা অন্য কোনও ফল সহযোগে দই দিয়ে তৈরি শেক।

ডায়াবেটিস আদতে একটা ক্রনিক মেডিক্যাল কন্ডিশন। একে ক্রমাগত নিয়ন্ত্রণে এবং পর্যবেক্ষণে রাখা প্রয়োজন। রক্তের শর্করার ১৮০ এমজি/ডিএল হলে তাকে ডায়াবেটিস বলা হয়। উচ্চ রক্তচাপ শরীরে নানা রকম প্রভাব ফেলতে পারে। ভবিষ্যতে গিয়ে চোখে সমস্যা হতে পারে, আলসার, কিডনি ফেলিওর, হার্টের রোগ এবং নার্ভের ও নানা সমস্যাও দেখা দিতে পারে। একটি সুস্থ জীবন যাপন পদ্ধতি অনুসরণ করে এবং নিয়মিত শারীরিক কসরতের মাধ্যমে ডায়াবেটিসকে বেশ খানিকটা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। খাবার ক্ষেত্রে সচেতনতা খুব জরুরি। খাবারের পরিমাণ এবং ওজন বৃদ্ধির বিষয়টি ডায়াবেটিস ম্যানেজমেন্টে সবচেয়ে জরুরি বিষয়। তবে ডায়াবেটিক যারা তাদের উচিত প্রত্যেক দুই বা তিন ঘণ্টায় অল্প অল্প করে খাবার খাওয়া। দুটি প্রধান খাবার ছাড়াও মাঝে মাঝে কিছু স্বাস্থ্যকর স্ন্যাক্স তাদের গ্রহণ করতে হবে। তবে তার মধ্যে মধ্যদিনের একটি স্ন্যক্সের পরিমাণ হবে খুবই সামান্য। আর কী খাবেন সেটাও বেশ বিবেচনাপূর্ণ। স্বাদকোরককে তুষ্ট করতে গেলে আবার রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যেতে পারে।

সংক্রামক রোগে ভুগে প্রতি বছর ৪৬% শিশু মারা যায় এই দেশে

এ ক্ষেত্রে অন্যতম উপকারী এবং কার্যকরী স্ন্যাকস হিসেবে বিবেচিত হতে পারে বেরি বা অন্য কোনও ফল সহযোগে দই দিয়ে তৈরি শেক। দইয়ের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম এবং প্রোবায়োটিক থাকে। ফলে গাটের স্বাস্থ্য উন্নত হয়। দই এর মধ্যে প্রোটিন থাকার জন্য তা রক্তে শর্করার মাত্রাকে বেশ দীর্ঘ সময় ধরে নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে হজমশক্তিও স্থিতিশীল হয় এবং শরীরে আত্তীকরণকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয়। বেরি জাতীয় ফলের মধ্যে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা শরীরের ইনফ্লামেশন কমায় এবং প্যানক্রিয়াসের যে কোনও ইনফ্ল্যামেশনও তা কমাতে পারে। ফলে খাদ্য তন্তু বেশি পরিমাণে থাকে যা খাবারের ভাঙ্গনে সহায়তা করে। পুরো পদ্ধতিটি একত্রিত হয়ে রক্তে শর্করার মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ করে।


এক কাপ গ্রিন টি-ই ঝরিয়ে দেবে অতিরিক্ত মেদ

তা ছাড়া তন্তুযুক্ত খাবার অনেকক্ষণ পেট ভর্তি রাখে। ফলে দ্রুত খিদে পায় না। এবং ওজনের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় আপেল, লেবু জাতীয় ফল, পেয়ারা, পেঁপে খুবই উপকারী। আপনি যদি ডায়াবেটিক হন তা হলে এর মধ্যে যে কোন একটা বেছে নিয়ে দই সহযোগী খেয়ে দেখতে পারেন।

ইচ্ছা হলে এই দই ও ফলের মিশ্রণে কিছুটা বাদাম বা বীজজাতীয় উপকারী উপাদান যুক্ত করতে পারেন। বাদামের মধ্যে আমন্ড, ওয়ালনাট চলতে পারে। সাধারণ দই এর বদলে গ্রিক ইয়োগার্ট খেয়ে দেখতে পারেন।

যারা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত, তাদের মাথায় রাখতে হবে যে কোনও ভাবে যেন চিনি বা অন্য কোন কৃত্রিম মিষ্টি জাতীয় উপাদান দইয়ে না মেশানো হয়। তাহলে কিন্তু রক্তের শর্করার মাত্রা উল্টে নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যাবে।

মন্তব্য

স্বাস্থ্যের খবর সাথে সুস্থ থাকার জন্য অভিজ্ঞদের টিপস, ডায়েট পরিকল্পনা জানতে, লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube

................... বিজ্ঞাপন ...................

................... বিজ্ঞাপন ...................

 

................... বিজ্ঞাপন ...................

-------------------------------- বিজ্ঞাপন -----------------------------------