হোম »  Women's Health »  ডিম্বাশয়ের সিস্ট নিয়ে জেনে রাখুন 6 টি আবশ্যক তথ্য

ডিম্বাশয়ের সিস্ট নিয়ে জেনে রাখুন 6 টি আবশ্যক তথ্য

যতক্ষণ না গর্ভবতী হচ্ছেন বা নির্দিষ্ট সময়ের আগেই পিরিয়ড বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ততক্ষণ কিন্তু মহিলারা ডিম্বাশয়ের কথা একেবারেই ভাবেন না

ডিম্বাশয়ের সিস্ট নিয়ে জেনে রাখুন 6 টি আবশ্যক তথ্য

এন্ড্রোমেট্রিওসিস,গর্ভের সময়কার হরমোনাল ভারসাম্যহীনতা, পেলভিক সংক্রামণের কারণেও সিস্ট হতে পারে

হাইলাইট

  1. স্তনের বৃদ্ধিতে ডিম্বাশয়ের ভূমিকা আছে
  2. সিস্টের মাপ সাধারণত এক মিলিমিটার থেকে পাঁচ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হতে পারে
  3. কোমরে টানা ব্যথা, পায়ে এবং উরুতে ব্যথা, স্তনের শিথিলতা, অনিয়মিত পিরিয়ড

আমাদের শরীরের ভিতরে সবসময় কী চলছে আমরা ভেবেও উঠতে পারি না।  না পারারই তো কথা, মানুষের শরীর এমন সব উপাদান গঠিত যা গোটা শরীরটাকেই একটা জটিল সিস্টেম করে তুলেছে। যতক্ষণ না শরীরের ভিতরের কোনও অংশ কাজ করা বন্ধ করে দিচ্ছে ততক্ষণ আমরা জানতেও পারি না কী সমস্যায় পড়তে চলেছি। তবে এই শরীরেও আবার এমন কিছু অংশ আছে যার কথা আমরা একেবারেই চিন্ত করি না। এরই অন্যতম হল ডিম্বাশয়।যতক্ষণ না গর্ভবতী হচ্ছেন বা নির্দিষ্ট সময়ের আগেই পিরিয়ড বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, মেনোপজের সময় এগিয়ে বা পিছিয়ে যাচ্ছে ততক্ষণ কিন্তু মহিলারা ডিম্বাশয়ের কথা একেবারেই ভাবেন না। অথচ এই পিরিয়ড চলার সময়েই কিন্তু ডিম্বাশয়ে সিস্ট জন্মানো শুরু হয়।

এই পলিসিস্টিক ওভারির সমস্যা অধিকাংশ মহিলারই থেকে থাকে। অযথা ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। কিন্তু কী এই পলিসিস্টিক সিস্ট, কেনই বা হয়, কী তার প্রভাব জেনে রাখা ভালো।

পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিন্ড্রোম নিয়ে 6 টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আপনাকে জানতেই হবে:


ডিম্বাশয়ের সিস্ট বা ওভারিয়ান সিস্ট আসলে কী?

সিস্ট গুলি আসলে ছোট্ট ছোট্ট টিউমারের মতোই, যার ভেতরে তরল অথবা অর্ধতরল কিছু উপাদান থাকে। সিস্টের মাপ সাধারণত এক মিলিমিটার থেকে পাঁচ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হতে পারে। সিস্ট সম্পর্কে জানা এজন্যই আবশ্যক কারণ এগুলি হল হরমোনের প্রধান উৎস যা শরীরের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য যেমন স্তন, শরীরের আকৃতি, এবং শরীরের চুলের বৃদ্ধিকে নিয়ন্ত্রণ করে।

কীভাবে ডিম্বাশয়ের সিস্ট তৈরি হয়?

যখনই কোন মহিলা পিরিয়ড চলাকালীন ডিম্বাণু নিঃসরণ করেন তখনই ডিম্বাশয়ে ছোট ছোট সেল তৈরি হয়। কোনও ডিম্বাণু সম্পৃক্ত হলে বা নিষেকের উপযোগী হলে এই সেলগুলি ভেঙে যায়। যদি সিস্টগুলি আকারে এক মিলি মিলিমিটার হয়, তবে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে তা বেরিয়ে যেতে পারে। কিন্তু যদি তারা বড় হয়, তবে সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে সেক্ষেত্রে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা আবশ্যক। 

উপসর্গ কী কী?

সিস্টের প্রাথমিক উপসর্গগুলি হল, তলপেটে ব্যথা, বমি বমি ভাব, ফুলে যাওয়া, বা ব্যথা। সিস্টের আরও একটি লক্ষণ হল প্রচণ্ড পেলভিক পেন। কিছু সাধারণ উপসর্গ দিয়েও আপনি বুঝতে পারবেন সিস্ট তৈরি হচ্ছে কী না। যেমন,  কোমরে টানা ব্যথা অনুভব করা, পায়ে এবং উরুতে ব্যথা, স্তনের শিথিলতা, অনিয়মিত পিরিয়ড, শরীর ভার ভার লাগা। মলত্যাগ ও যৌনতার সময় ব্যথা।

ডিম্বাশয়ের সিস্টের কারণ কী?

এন্ড্রোমেট্রিওসিস,গর্ভের সময়কার হরমোনাল ভারসাম্যহীনতা, পেলভিক সংক্রামণের কারণেও সিস্ট হতে পারে। সাধারণত এই সিস্টগুলি এমনিতেই ঠিক হয়ে যায়, কিন্তু ওভ্যুলেশনের জন্য যদি ওষুধ নিয়মিত ব্যবহার করেন কেউ তাহলে এই সিস্ট জটিল আকার ধারণ করতে পারে।

এই সিস্ট থেকে কি ক্যান্সার হতে পারে?

সামান্য হলেও এই ডিম্বাশয় সিস্ট থেকে ক্যানসারের ঝুঁকি রয়েইছে। যাদের মেনোপজের সময় এগিয়ে আসছে তাঁদের ক্ষেত্রে ডিম্বাশয়ের ক্যানসারের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এই ধরণের আশঙ্কা থাকলে প্রথমেই একটি আলট্রাসোনোগ্রাফি করা প্রয়োজন। আলট্রাসোনোগ্রাফি রিপোর্ট আপনাকে বলে দেবে কোন পর্যায়ে আছে সিস্ট। বা তা থেকে টিউমার তৈরির কোনও আশঙ্কা আছে কি না।

এই সিস্ট কি গর্ভধারণে সমস্যা করে?

ডিম্বাশয়ের সিস্ট গর্ভাবস্থাকালেও বৃদ্ধি পায়। তবে এগুলি গর্ভাবস্থার ক্ষতি করে না।

মন্তব্য

স্বাস্থ্যের খবর সাথে সুস্থ থাকার জন্য অভিজ্ঞদের টিপস, ডায়েট পরিকল্পনা জানতে, লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube

................... বিজ্ঞাপন ...................

................... বিজ্ঞাপন ...................

................... বিজ্ঞাপন ...................

-------------------------------- বিজ্ঞাপন -----------------------------------