হোম »  সংবাদ »  করোনা রোধে কী করে বাড়িতেই থাকবেন কোয়ারান্টাইন, সেল্ফ আইসোলেশনে?

করোনা রোধে কী করে বাড়িতেই থাকবেন কোয়ারান্টাইন, সেল্ফ আইসোলেশনে?

তবে করোনা ভাইরাসের কোনও লক্ষ্মণ দেখা দিলে বা করোনা সংক্রামকের সংস্পর্শে এলে একজন সচেতন নাগরিকের উচিত ১৪ দিনের জন্য নিজেকে সবার থেকে সরিয়ে নেওয়া।

করোনা রোধে কী করে বাড়িতেই থাকবেন কোয়ারান্টাইন, সেল্ফ আইসোলেশনে?

Coronavirus prevention: Avoid going to crowded places to prevent coronavirus infection

হাইলাইট

  1. বাইরে বেরোনো বন্ধ থাকে আইসোলেশনে
  2. নিয়মিত মাস্ক বদলাতে হবে
  3. নিজের ব্যবহৃত জিনিস অন্যকে ব্যবহার করতে দেবেন না

দেশে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ ক্রমাগত বাড়ছে। এখনও পর্যন্ত ১৪২৪ জন আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত ৪৭। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৪০ জন। বিশ্বব্যাপী ত্রাসের সঞ্চার করা এই ভাইরাসের সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙতে আগামী ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত লকডাউনের ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।

করোনা এড়াতে কীভাবে সাবান, স্যানিটাইজার ব্যবহার করবেন?

তারই মধ্যে করোনা সংক্রমণ (Coronavirus) না সাধারণ জ্বর, এই বুঝতে বুঝতেই দিন পেরিয়ে গেছে অনেকটা। এদিকে রোগ ছড়াচ্ছে হু হু করে। কারণ, এই সংক্রমণের লক্ষ্মণ আর ফ্লু-এর লক্ষ্মণ প্রায় এক। জ্বর, সর্দি-কাশি, নাক বন্ধ, শ্বাসকষ্ট। তবে চিকিৎসকেরা খুব সূক্ষ্ম কিছু পার্থক্য খুঁজে পেয়েছেন। করোনা সংক্রমণে প্রথমে শুকনো কাশি। তার েকে শ্বাসকষ্ট এবং জ্বর। ফ্লু হলে নাক দিয়ে জল পড়বে আগে। করোনায় যা একেবারেই হয় না। একই সঙ্গে গলা ব্যথাও হয় না এই রোগে। 


চিকিৎসকদের মতে, শুকনো কাশি, জ্বর এবং শ্বাসকষ্ট একসঙ্গে হলে সেটা করোনা ভাইরাসের লক্ষ্মণ। শুকনো কাশির ফলে ফুসফুসের সঙ্গে জড়িত টিস্যু নষ্ট হয়ে শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। এরপরেই আসে জ্বর। COVID-19 শ্রেণির অন্তর্গত এই সংক্রমণ যত বাড়বে ততই জ্বল, কাশি, শ্বাসকষ্ট বাড়বে। সাধারণ ফ্লু হলে এই উপসর্গ বা কষ্ট ৮০ শতাংশ কম হয়। 

ষাট এবং সত্তরোর্ধ্বরা রয়েছেন হাই রিস্ক জোনে। বিশেষ করে যাঁদের ডায়াবেটিস, হাই প্রেসার, হাঁপানি বা শ্বাসকষ্ট  সহ ফুসফুসের রোগ রয়েছে তাঁদের পক্ষে এই সংক্রমণ সত্যিই ভয়ের। এঁরাই বেশি ভর্তি হচ্ছেন। মৃত্যুও হচ্ছে এঁদের বেশি। কমবয়েসীর আক্রান্ত হলেও সুস্থ হয়ে উঠছেন। শিশুদের মধ্যে এই সংক্রমণ খুবই বিরল।

করোনা ভয়ে কাঁটা? আতঙ্ক কাটিয়ে হাসিখুশি থাকতে মেনে চলুন এই উপায়

তবে করোনা ভাইরাসের কোনও লক্ষ্মণ দেখা দিলে বা করোনা সংক্রামকের সংস্পর্শে এলে একজন সচেতন নাগরিকের উচিত ১৪ দিনের জন্য নিজেকে সবার থেকে সরিয়ে নেওয়া। কারণ, সংক্রমণ এক ব্যক্তি থেকে আরেক ব্যক্তির মধ্যে ছড়িয়ে পড়ার পর তার বর্হিপ্রকাশ ঘটতে ১৪ দিন সময় লাগে। তার আগেই নিজেকে সরিয়ে নেওয়াকে বলে সেল্ফ কোয়ারান্টাইন। এরপর তিনি পরীক্ষা করে যদি নেগেটিভ রিপোর্ট পান তাহলে আর কোয়ারান্টাইনের দরকার নেই। NICE-থেকে পজিটিভ রিপোর্ট এলে তখন তাঁকে আইসোলেশনে থাকতে হবে হাসপাতালে। কোয়ারান্টাইেন থাকার সময় খাবার পাত্র, পোশাক, ঘর, টয়লেট সমস্ত আলাদা হতে হবে।

করোনা ভয়ে কাঁটা? আতঙ্ক কাটিয়ে হাসিখুশি থাকতে মেনে চলুন এই উপায়

করোনা রোধের উপায়: সেল্ফ আইসোলেশন বাড়িতেই কোয়ারান্টাইন

১.আইসোলেশনে যে ঘরে থাকবেন সে ঘরে যথেষ্ট আলো-হাওয়া চলাচল করে। অ্যাটাচড বাথও থাকতে হবে।

২.আপনার শরীরে রোগের লক্ষ্মণ প্রকাশ পেলে বয়স্ক ব্যক্তি, গর্ভবতী মহিলা এবং শিশুদের থেকে দূরে থাকুন।

৩. অসুস্থ অবস্থায় বাড়ির বাইরে পা রাখবেন না।

৪. জমায়েত এড়িয়ে চলুন। ভিড়ের মধ্যে যাবেন না।

৫. নিয়মিত হাত পরিষ্কার করুন সাবান, অ্যালকোহল ভিত্তিক স্যানিটাইজার দিয়ে।

s8q78ooo

এই সময় হাত ধোয়া খুবই জরুরি
Photo Credit: আই স্টক

করোনা না সাধারণ সর্দিজ্বর? বুঝবেন কীভাবে?

৬.নিজের ব্যবহৃত থালা-বাসন, চশমা, কাপ, বাসন, তোয়ালে এবং বিছানাপত্র বাড়ির অন্যদের ব্যবহার করতে দেবেন না। 

৭. সারাক্ষণ সার্জিক্যাল মাস্ক পরে থাকুন। ছয় থেকে আট ঘণ্টা অন্তর মাস্ক বদলে নিন।

৮. ব্যবহৃত মাস্ক ঢাকনা দেওয়া বিনে ফেলুন। তারপর হাত ধুয়ে নিতে ভুলবেন না।

করোনা ভাইরাসের কোনও লক্ষ্মণ দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

করোনা এড়াতে কীভাবে সাবান, স্যানিটাইজার ব্যবহার করবেন?

(লিউক কাউটিনহো, লাইফস্টাইল বিশেষজ্ঞ - ইন্টিগ্রেটিভ মেডিসিন)

সতর্কীকরণ: এই তথ্য অনুসরণের আগে বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।


Promoted
Listen to the latest songs, only on JioSaavn.com

মন্তব্য

স্বাস্থ্যের খবর সাথে সুস্থ থাকার জন্য অভিজ্ঞদের টিপস, ডায়েট পরিকল্পনা জানতে, লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube

................... বিজ্ঞাপন ...................

................... বিজ্ঞাপন ...................

................... বিজ্ঞাপন ...................

-------------------------------- বিজ্ঞাপন -----------------------------------