হোম »  সংবাদ »  7 Popular Health Myths: স্বাস্থ্য নিয়ে এই ভুল ধারণাগুলো ভাঙুন আজই

7 Popular Health Myths: স্বাস্থ্য নিয়ে এই ভুল ধারণাগুলো ভাঙুন আজই

একই ভাবে নেটে কিছু কমন বিষয়ের ওপর অজস্র ভুল তথ্য ঘোরাফেরা করে। এত বেশি পরিমাণে সেই তথ্য লোকের মুখে মুখে ফিরেছে যে তা মিথ হয়ে গেছে

7 Popular Health Myths: স্বাস্থ্য নিয়ে এই ভুল ধারণাগুলো ভাঙুন আজই

হার্টের কোনও ক্ষতি করে না ডিম

হাইলাইট

  1. না গুণেই জল খান
  2. ডিম স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই ভালো
  3. ক্র্যাকিং জয়েন্ট মানেই আর্থ্রারাইটিস! কে বলল?

কী করলে সুস্থ থাকা যায়, আজ পর্যন্ত তার সঠিক হদিশ পেয়েছেন? জানি পাননি। পাবেন কী করে! নেট (internet) খুললেই পুষ্টি (nutrition), ওবেসিটি, ক্যান্সার, হাই ব্লাড প্রেসার, সুগার নিয়ে ঝুড়ি ঝুড়ি তথ্য পাবেন। তার মধ্যে থেকে কোনটা মানবেন আর  কোনটা নয়---ভগবানেরই বোঝার সাধ্য নেই! আপনি তো মানুষ। ঠিক একই ভাবে নেটে কিছু কমন বিষয়ের ওপর অজস্র ভুল তথ্য ঘোরাফেরা করে। এত বেশি পরিমাণে সেই তথ্য লোকের মুখে মুখে ফিরেছে যে ঠিক না ভুল যাচাই হওয়ার আগেই তা মিথ (myths) হয়ে গেছে।  আজ সেই মিথ বা ভুল ভাঙার পালা--- 

পড়ুন: সান ট্যান হবে দূর এই ঘরোয়া ৮ উপকরণে​

স্বাস্থ্য নিয়ে ভুল ভেঙে যাক:


১. ৮ গ্লাস জল খেতেই হবে:  ত্বকের জেল্লা ভাড়াতে, হজমের উন্নতি ঘটাতে শরীর সুস্থ রাখতে এবং আর্দ্রতা ধরে রাখতে জল অতিপ্রয়োজনীয়। তা বলে গুণে গুণে আট গ্রাস জল খেতে হবে! তার বেশি বা কম নয়? খুব ভুল ধারণা। যখনই তেষ্টা পাবে তথখনই জল খাবেন। জলের বদলে স্যুপ, রসালো ফল বা সবজিও খেতে পারেন। এতেও জলের অভাব মিটবে। 

২. হার্টের পক্ষে ডিম খারাপ: দিনের একটার বেশই ডিম খেলেই নাকি হৃদয় বিকল হবে, এমন কথাও কিন্তু শোনা যায়। ডিমমের কুসুমে নাকি বেশই কোলেস্টেরল। সাদা অংশে কম। তাই ওটাই খাওয়া ভাসো। বাজে কথা। গোটা ডিম তারিয়ে তারিয়ে খান। এমনকি হাই কোলেস্টেরলের রোগীরাও। সস্তায় এর থেকে ভালো পুষ্টি আর কোনও খাবারে মিলবে না। তাই সানডে হো ইয়া মানডে, রোজ খায় আন্ডে!

5j5o40p

ডিমের মতো পুষ্টি আর কোনও খাবারে নেই
সৌজন্যে: আই স্টক

৩. ঠান্ডা জায়গায় থাকলে সর্দি-কাশি বাড়ে: এটাও ভুল ধারণা। হাল্কা ঠান্ডা আবহাওয়ায় যে মানুষ থাকেন তািনি বেশি সুস্থ থাকেন আর পাঁচজনের চেয়ে। কারণ, হাড়কাঁপানো ঠান্ডা জায়গার বদলে হালকা ঠান্ডা জায়গায়া থাকলে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ে। আর অসুস্থ হয়ে ঘরে বসে থাকলে মানুষ আরও অসুস্থ হয়ে পড়ে। কারণ বদ্ধ জায়গায় জীবাণু ছড়ায় বেশি।

৪. নিমিত মাল্টি ভিটামিন খেতে হয়: ওষুধ নয়, সঠিক ডায়েট মানলেই আপনি মাল্টি ভিটামিন পাবেন। তবে ডাক্তারবাবু নিদান দিলে অবশ্যই খাবেন। তবে সবজি, ফল, দানা শস্য বেশি করে খেলে এমনিতেই আপনার আলাদা করে মাল্টি ভিটামিন ওষুধ খেতে হবে না।

পড়ুন: Father's Day 2019; স্বাস্থ্য নয়, জানেন কি কোন সমস্যা জেরবার করে অধিকাংশ বাবাদের?

৫. সবুজ শ্লেষ্মা মানেই সংক্রমণ: আমরা জানি, সবুজ বা হলদে শ্লেষ্মা মানই জীবাণুর সংক্রমণ। তার মানে এই নয় যে মুঠো মুঠো অ্যান্টি বায়টিক গিলতে হবে তখনই। অনেক সময় সাইনাস হলে বা সাধারণ সর্দি-কাশিতেও কফ হলুদ বা সবুজ হয়ে যেতে পারে। 

৬. টয়লেট সিট নোংরা মানেই রোগের ডিপো: অনেকেই টয়েলেট সিট দেখলে ঘেণ্ণায়, ভয়ে বসতে চান না। বলেন, রোগে ধরবে। জানেন কি সবচেয়ে বেশি জীবাণু থাকে বাথরুমের দরজা, দরজার হাতল আর মেঝেয়! তাই টয়লেটে ঢোকার আগে ন্যাপকিনে হাত ঢেকে নিন। যাতে দরজায় হাত লেগে জীবাণু না আপনার হাতে চলে আসে। আর বাথরুম ব্যবহারের আগে-পরে হ্যান্ড স্যানিটাইজেশন ব্যহার করুন।  

৭. ক্র্যাকিং জয়েন্ট মানেই আর্থ্রারাইটিস: হাঁটুতে ক্র্যাক তখনই হয় যখন হাড়ের মধ্যে বাতাসের বুদ্বুদ তৈরি হয়। তার মানেই সেটা আর্থ্রারাইটিস নয়। কখনও যদি ব্যথা হয় তখন অবশ্যি ডাক্তারের কাছে যাবেন। 

dosd2il8

ক্র্যাকিং জয়েন্ট মানেই আর্থ্রারাইটিস নয়
সৌজন্যে: আই স্টক

সতর্কীকরণ: এই নিবন্ধের জন্য এনডিটিভি কোনোভাবেই দায়ী নয়। তথ্য অনুসরণের আগে চিকিতসকের পরামর্শ নেওয়া বাঞ্ছনীয়

মন্তব্য

স্বাস্থ্যের খবর সাথে সুস্থ থাকার জন্য অভিজ্ঞদের টিপস, ডায়েট পরিকল্পনা জানতে, লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube

................... বিজ্ঞাপন ...................

................... বিজ্ঞাপন ...................

 

................... বিজ্ঞাপন ...................

-------------------------------- বিজ্ঞাপন -----------------------------------