হোম »  লিভিং হেলথি »  ওজন কমাতে রান্নায় ব্যবহার করুন রাইস ব্র্যান তেল
পড়ুন | READ IN

ওজন কমাতে রান্নায় ব্যবহার করুন রাইস ব্র্যান তেল

হজমের জন্য এই তেলের ব্যবহার অত্যন্ত উপকারী।তবে যাদের গ্যাসের সমস্যা রয়েছে তাদের জন্য রাইস ব্র্যান তেল ব্যবহার না করাই ভালো।

ওজন কমাতে রান্নায় ব্যবহার করুন রাইস ব্র্যান তেল

রাইস ওয়েলে ভিটামিন ই রয়েছে

রাইস ব্র্যান অয়েলে সঠিক মাত্রায় ফ্যাটি অ্যাসিড বর্তমান । এছাড়াও এই তেলে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন Eও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে। জেনে নিন শরীরের বাড়তি ওজন কমাতে কিভাবে কাজে লাগে রাইস ব্র্যান তেল। রান্নার তেলের পরিবর্তে রান্নায় রাইস ব্র্যান তেল ব্যবহার করা অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর।পুষ্টিগুনে ভরপুর হওয়ায় রাইস ব্র্যান তেল মাত্র কয়েক বছরেই বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।ধানের তুষের ভিতর থেকে এই তেলটি বের করে আনা হয়।এই তেলে ধোঁয়ার মাত্রাও হয় উচ্চ পরিমানে।এই কারনে বেশি আচের রান্না যেমন, তেলে ভাজা প্রভৃতিতে এই তেল ব্যবহার করা হয়।এই তেলে বাদাম তেলের মত একই উপাদান থাকে কিন্তু এই তেল সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যকর হিসেবে পরিচিত।এই তেলে ফ্যাটি অ্যাসিদের মাত্রা আদর্শ এবং এই তেল  ভিটামিন Eও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট দ্বারা সমৃদ্ধ।

cooking oil

 


রাইস ব্র্যান তেলে প্রচুর পরিমানে ফাইবার রয়েছে।হজমের জন্য এই তেলের ব্যবহার অত্যন্ত উপকারী।তবে যাদের গ্যাসের সমস্যা রয়েছে তাদের জন্য রাইস ব্র্যান তেল ব্যবহার না করাই ভালো। কারণ এতে থাকা ফাইবার গ্যসের সমস্যা বাড়িয়ে দেয় এবং যাদের আলসার রয়েছে তাদের জন্য এই তেল আরও বেশি ক্ষতিকর হয়ে উঠতে পারে।


শরীরে গৃহীত ফ্যাটের ভারসাম্য তখনই বজায় থাকে যখন তাতে  30% স্যাচুরেটেড ফ্যাট, 33% পলি স্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং  37% মনো স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে। অন্যান্য রান্নার তেল অনুযায়ী এই তেলে থাকা ফ্যাটি অ্যাসিডের পরিমাণের কারণে এই তেল কে সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর তেল হিসেবে ধরা হয়।এই তেলে অন্যান্য তেলের তুলনায় চারগুণ বেশি ওমেগা 6 ও ওমেগা 3  ফ্যাটি অ্যাসিড বর্তমান।ওমেগার এই পরিমাণ অকাল বার্ধক্য ও বিপাক ক্রিয়া নিয়ন্ত্রন করে।এই তেলে কোন প্রকার ট্রান্স ফ্যাট থাকেনা।এতে থাকা অতিরিক্ত মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড হৃদরোগের সম্ভাবনা কমায় এবং ত্বক ভালো রাখে।

 

রাইস ব্র্যান তেলের সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর এই বিষয় গুলি সম্পর্কে আপনার জেনে রাখা উচিৎ

ওজন কমায়


হ্যাঁ ! আপনি ঠিকই শুনেছেন।যারা ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন তাদের রাইস ব্র্যান তেলে রান্না করা উচিৎ।যদিও এতে ক্যালোরির মাত্রা বেশি থাকে তাও এই তেলের ঘনত্বের কারনে  20% তেলই খাবারে শোষিত হয়।অন্যান্য রান্নার তেল অনুযায়ী রাইস ব্র্যান তেলে করা রান্নায় ক্যালোরির পরিমাণ কম থাকে।তবে একথা সবসময় মাথায় রাখা দরকার যে কোন কিছুই ততক্ষন পর্যন্ত উপকারী যতক্ষন তার মাত্রা নিয়ন্ত্রিত হয়।অতিরিক্ত পরিমানে রাইস ব্র্যান তেল গ্রহন করলে তা কখনই স্বাস্থ্যের পক্ষে বা ওজন কমানোর ক্ষেত্রে উপকারী নয়।

weight loss

 

মেনোপজ সংক্রান্ত সমস্যাগুলি প্রতিরোধ করে


গবেষনায় দেখা গেছে রাইস ব্র্যান তেল মেনোপজের নানান উপসর্গ প্রতিরোধ করে।

menopause

 

ক্যান্সার প্রতিরোধ করে


রাইস ব্র্যান তেল ক্যান্সারের ঝুকি প্রতিরোধ করে।এতে ওরাইজোনল ও ভিটামিন E রুপে প্রচুর পরিমানে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে।রাইস ব্র্যান তেলে টোকোফেনল ও টোকো ট্রাইনল জাতীয় অ্যান্তি অক্সিডেন্টও থাকে।শরীরে স্বাধীন মৌল দ্বারা হওয়া ক্ষতি থেকে এই তেল শরীর কে রক্ষা করে।বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার প্রতিরোধ করার জন্য শরীরে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টগুলির একটি অবিচ্ছিন্ন প্রবাহ গুরুত্বপূর্ণ।

cancer

অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া প্রতিরোধ করে


রাইস ব্র্যান তেলের হাইপোঅ্যালার্জিক প্রকৃতি শরীরে বিভিন্ন রকমের এলার্জির প্রতিক্রিয়া প্রতিরোধ করে।এটি শরীরের যে কোন রকম এলার্জির প্রতিক্রিয়া শান্ত করতে পারে।শরীরের অন্যান্য অস্বাভাবিক এলার্জিগুলিকে অতিরঞ্জিততা রোধ করতেও এই তেল সহায়তা করে।



কোলেস্টেরল মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে


রাইস ব্র্যান তেল হল এমন একটি তেল যাতে মনোস্যাচুরেটেড ও পলি স্যাচুরেটেড ফ্যাটের মাত্রা যথার্থ পরিমানে রয়েছে।ফ্যাটি অ্যাসিডের এই ভারসাম্য শরীরের মধ্যে কোলেস্টেরল মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।এই তেল হৃদরোগের জন্য ভালো। এটি আপনার শরীরে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের প্রবনতা কমায়।



বার্ধক্যকে বিলম্বিত করে


ক্যান্সার প্রতিরোধ ছাড়াও, ভিটামিন E বার্ধক্যকে বিলম্বিত করার ক্ষেত্রে সাহায্য করে।ভিটামিন E ত্বকে সরাসরি সুবিধা দেয়।সক্রিয় মৌল দ্বারা হওয়া ক্ষতি সরাসরি চামড়ার কোষে আক্রমন করে যার ফলে দ্রুত বার্ধক্যের ছাপ পরে যায়।রাইস ব্র্যান তেলে রান্না করা খাবার  শরীরের ভিটামিন E-র মাত্রা বৃদ্ধি করতে পারে।শরীরে পর্যাপ পরিমানে ভিটামিন E থাকলে তা দ্রুত ক্ষত নিরাময় করতে পারে।এছাড়াও এটি ত্বক কোমল রাখে, ত্বকের ভাঁজ পরা কমায়,রোদের থেকে ত্বক কে রক্ষা করে।ভিটামিন ত্বকের কোষের প্রতিরক্ষামূলক গুণ বৃদ্ধি করে এবংজীবাণু ও বিদেশী টক্সিনকে ত্বকের ভিতরে প্রবেশের থেকে প্রতিরোধ করে।
skin

 

মন্তব্য

স্বাস্থ্যের খবর সাথে সুস্থ থাকার জন্য অভিজ্ঞদের টিপস, ডায়েট পরিকল্পনা জানতে, লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube

................... বিজ্ঞাপন ...................

................... বিজ্ঞাপন ...................

 

................... বিজ্ঞাপন ...................

-------------------------------- বিজ্ঞাপন -----------------------------------