হোম »  ইমোশনস »  Reverse Psychology: কাজ হাশিল হচ্ছে না? আঙুল বাঁকানোই রিভার্স সাইকোলজি

Reverse Psychology: কাজ হাশিল হচ্ছে না? আঙুল বাঁকানোই রিভার্স সাইকোলজি

মানুষ প্যাঁচালো হলে রিভার্স স্যুইংয়ে কিন্তু ব্যুমরোং হয়ে আপনার দিকেই ফিরতে পারে রিভার্স সাইকোলজি।

Reverse Psychology: কাজ হাশিল হচ্ছে না? আঙুল বাঁকানোই রিভার্স সাইকোলজি

কাজ হাশিল করতে এই ধরনের কৌশলের সাহায্য নিতেই পারেন

হাইলাইট

  1. কাউকে দিয়ে কিছু বলানো বা করানোর জন্য অন্য ধাঁচে কিছু বলা
  2. সন্তানকে মানুষ করতেও আপনি রিভার্স সাইকোলজির সাহায্য করতে পারেন
  3. একে বৈজ্ঞানিক ভাষায় কৌশল অবলম্বনও বলা হয়

রিভার্স সাইকোলজি (Reverse psychology)। গোদা বাংলায়, সোজা আঙুলে ঘি না উঠলে আঙুল বেঁকিয়ে ঘি তোলা ("strategic self-anti conformity")। ধরুন, কোনও কাজ কাউকে দিয়ে করাতে চান। কিন্তু সে আপনার কথায় নারাজ। কী করবেন? ঘুরপথে, বুঝিয়ে কাজ হাশিলের চেষ্টা করবেন। মনোবিজ্ঞান একেই বলছে রিভার্স সাইকোলজি। বিদ্রোহীকে পথে আনতে, সন্তানকে (toddler) মানুুষ করতে, কাউকে অপমান করতে, এমনকি অনেক সময় উর্ধ্বতনকে ম্যানেজ করতেও এই কৌশল হামেশাই খাটান অনেকে। তবে এর কিন্তু ভালো-মন্দ দুটোই আছে। যদি সামলে চলতে পারেন, বাজি জিতবেন সবকটা। কিন্তু বিপরীতের মানুষ এই মানসিকতা পড়ে ফেললেই গেলেন আপনি। তখন আপনার দিকেই না ধেয়ে আসে রিভার্স সাইকোলজি!---- 

এর সঙ্গে আরও কিছু জড়িত:

  • আরও বেশি কিছু চাইতে
  • সোজা বলতে বাধো বাধো ঠেকলে
  • অন্যকে নিজের গুরুত্ব বোঝাতে

আপনি কতটা চাপে ভুগছেন? এবার বলবে যন্ত্র

সন্তান মানুষ করতে উত্তম পদ্ধতি

ছেলেপুলেদের মানুষ করতে মা-বাবারা হামেশাই এই পথ বেছে নেন। যেমন, বাচ্চা কিছুতেই সবজি খেতে চাইছে না। এদিকে বারবার বললে জেদ ধরে আরও বেঁকে বসছে। কী করবেন? কিছুটা সবজি প্লেটে তুলে নিয়ে বলুন, এটা আপনি খাবেন। খুদে যে-ই দেখবে আপনি খাচ্ছেন ওমনি ও-ও খেতে শুরু করবে। পাল্লা দিতে।

ঘনিষ্ঠ বন্ধুর মৃত্যুও বিধ্বস্ত করে দিতে পারে অন্তত চার বছর

সম্পর্কে সাইকোলজি

ভালো না মন্দ? সেটা নির্ভর করে সম্পর্কের ওপরে। এবং ব্যক্তিবিশেষের ওপরে। সম্পর্ক যদি গভীর হয়, মানুষ যদি সোজাসাপ্টা হন, তাহলে কিছু পেতে বা বোঝাতে এই ট্রিক ক্লিক করে যায়।  কিন্তু মানুষ প্যাঁচালো হলে রিভার্স স্যুইংয়ে কিন্তু ব্যুমরোং হয়ে আপনার দিকেই ফিরতে পারে রিভার্স সাইকোলজি।

এই পদ্ধতিকে কাজে লাগাতে পারেন দু-ভাবে---

১. ছোট থেকে বড়

প্রথমে ছোট রিকোয়েস্ট করুন। যেটা সাধারণত মেনে নেওয়ার মতো। সেটা পূরণ হলে বড় কোনও অনুরোধের দিকে পা বাড়ান। আপনা থেকেই সেটা মঞ্জুর হয়ে যাবে।

২. বড় থেকে আরও বড়

শুরুতে এমন অনুরোধ জানান যে যেটা থাকবে না। জেনেশুনেই তেমন অনুরোধ করবেন। পরের বার এমন কিছু বলুন যা ওই ব্যক্তি মানতে বাধ্য। কারণ, তিনি আগের অনুরোধ রাখেননি। 

তবে মনে রাখবেন, রিভার্স সাইকোলজি কিন্তু সবার জন্য নয়। যিনি চুপচাপ এমনিতেই সব কাজ করে দেন তাঁর ক্ষেত্রে এই সাইকোলজি খাটালে যেদিন তিনি বুঝবেন তেদিন থেকে আর ধারপাশও মাড়াবেন না আপনার। যাঁরা বিপ্লবী টাইপ, সারাক্ষণই স্রোতের বিরুদ্ধে সাঁতার কাটেন তাঁদের বশে রাখতে এই ট্রিক দারুণ ক্লিক করে। একই সঙ্গে এটাও মাথায় রাখবেন, দুনিয়ায় বুদ্ধিমান আপনি একা নন। আপনার থেকেও বুদ্ধিমান হতে পারেন বিপরীতে থাকা মানুষটি। এবং তিনি যদি একবার ধরতে পারেন, কী খেলা খেলছেন, উল্টো প্যআঁচে কুপোকাৎ করতে কিন্তু বেশিক্ষণ লাগবে না তাঁর! 

সতর্কীকরণ: এই নিবন্ধের জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নন। তথ্য অনুসরণের আগে বিশেষজ্ঞের পরমর্শ নেওয়া আবশ্যিক।

মন্তব্য

স্বাস্থ্যের খবর সাথে সুস্থ থাকার জন্য অভিজ্ঞদের টিপস, ডায়েট পরিকল্পনা জানতে, লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube

এই নিবন্ধটি সহায়ক ছিল হাঁ or না

................... বিজ্ঞাপন ...................

................... বিজ্ঞাপন ...................

................... বিজ্ঞাপন ...................

-------------------------------- বিজ্ঞাপন -----------------------------------