হোম »  ক্যান্সার »  মন খারাপ? ডিপ্রেশন? চাপ? মহিলারা অজান্তেই বাড়াচ্ছেন স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি!

মন খারাপ? ডিপ্রেশন? চাপ? মহিলারা অজান্তেই বাড়াচ্ছেন স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি!

ক্যান্সার রোগীদের প্রায়ই উদ্বেগ, হতাশা এবং ভয়ের মতো নেতিবাচক আবেগ বেশি দেখা যায় যা টিউমার বৃদ্ধির পাশাপাশি ক্যান্সারের গতি বাড়ার ঝুঁকির কারণ।

মন খারাপ? ডিপ্রেশন? চাপ? মহিলারা অজান্তেই বাড়াচ্ছেন স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি!

দীর্ঘস্থায়ী চাপ শরীরের জন্য খারাপ

মানসিক চাপের মধ্যে রয়েছেন দীর্ঘকাল? অজান্তেই নিজের শরীরে বেড়ে যাচ্ছে স্তন ক্যান্সারের আশঙ্কা। সম্প্রতি চিনের গবেষকরা ক্যান্সারের ভবিষ্যত চিকিত্সার বিষয়ে একধাপ এগিয়ে জানিয়েছেন দীর্ঘস্থায়ী চাপ স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি ( breast cancer development) বাড়াচ্ছে ক্রমশ। ক্যান্সার রোগীদের প্রায়ই উদ্বেগ, হতাশা এবং ভয়ের মতো নেতিবাচক আবেগ (negative emotions ) বেশি দেখা যায় যা টিউমার বৃদ্ধির পাশাপাশি ক্যান্সারের গতি বাড়ার ঝুঁকির কারণ। কীভাবে দীর্ঘস্থায়ী চাপ ক্যান্সারের বৃদ্ধিকে প্রভাবিত করে তার নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া যদিও এখনও অজানা।

 গর্ভাবস্থায় হালকা ব্যায়ামই নিশ্চিত করবে সন্তান স্থূলত্বের শিকার হবে না, বলছে গবেষণা

চীনের দালিয়ান মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটির গবেষকরা জানান যে, দীর্ঘস্থায়ী চাপ এপিনেফ্রাইনের মাত্রা বাড়িয়ে তুলতে পারে, যা ল্যাকটেট ডিহাইড্রোজেনেস এ  (lactate dehydrogenase A/ LDHA) বাড়ায় এবং স্তন ক্যান্সারের স্টেমের মতো কোষগুলিকে বাড়ায়। LDHA কে লক্ষ্য করে এমন একটি ড্রাগ স্ক্রিন ব্যবহার করে তাঁরা দেখেন যে, ভিটামিন সি দীর্ঘস্থায়ী স্ট্রেস-প্ররোচিত ক্যান্সারের স্টেমের মতো ফেনোটাইপকে বদলে দিচ্ছে।


ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান গবেষক লিউ কুইয়াং এর মতে, স্তন ক্যান্সার কোষে স্টেমের মতো বৈশিষ্ট্যগুলিকে চিহ্নিত করার জন্য মানসিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং স্তন ক্যান্সারের জন্য একটি থেরাপিউটিক পদ্ধতি গ্রহণ করা আবশ্যিক।

ক্লিনিকাল ইনভেস্টিগেশন জার্নাল পত্রিকায় প্রকাশিত ওই গবেষণায় কুইয়াং বলেছেন, “এলডিএইচএ-হ্রাসকারী এজেন্ট ভিটামিন সি স্ট্রেস-সংশ্লিষ্ট স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধের জন্য সম্ভাব্য পদ্ধতি হতে পারে।” তাঁর দল ক্যান্সার স্টেম কোষের গবেষণার পাশাপাশি টিউমারের বৃদ্ধির উপর মনোবৈজ্ঞানিক আচরণের পদ্ধতির বিশ্লেষণও করেছে। 

চুল পাকছে অকালেই? সরষের তেলই আপনার একমাত্র ওষুধ

কুইয়াং উল্লেখ করেছেন যে স্তন ক্যান্সার, ডিম্বাশয় ক্যান্সার এবং পাকস্থলীর ক্যান্সারের রোগীদের প্রায়শই নেতিবাচক আবেগ থাকে, যা তাদের টিউমারের বিকাশকে ত্বরান্বিত করে। কুইয়াং বলেন, “মানসিক মূল্যায়ন করার পাশাপাশি রক্ত ​​পরীক্ষার মাধ্যমে ব্যাপকভাবে তাদের দীর্ঘস্থায়ী চাপ, এপিনেফ্রাইন স্তর (epinephrine) পর্যবেক্ষণ করা জরুরি।"



(এনডিটিভি এই খবর সম্পাদনা করেনি, এটি সিন্ডিকেট ফিড থেকে সরাসরি প্রকাশ করা হয়েছে।)
মন্তব্য

স্বাস্থ্যের খবর সাথে সুস্থ থাকার জন্য অভিজ্ঞদের টিপস, ডায়েট পরিকল্পনা জানতে, লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube

................... বিজ্ঞাপন ...................

................... বিজ্ঞাপন ...................

................... বিজ্ঞাপন ...................

-------------------------------- বিজ্ঞাপন -----------------------------------